বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ২৫ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান পাপমুক্তি ও আত্মশুদ্ধির আকুল বাসনা নিয়ে পবিত্র হজ পালন করছেন। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান আরাফাতের ময়দানে থাকবেন। ইসলাম ধর্মের মূল পাঁচ স্তম্ভের একটি হচ্ছে পবিত্র হজ। আর্থিকভাবে সামর্থ ও শারীরিকভাবে সক্ষম পুরুষ ও নারীর জন্য হজ ফরজ। এবার
কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার জন্য অনেক টাকা-পয়সা থাকা জরুরি নয়। ঈদুল আযহার দিনগুলোতে যার কাছে যাকাত ওয়াজিব হওয়া পরিমাণ অর্থ/সম্পদ থাকে তার উপরই কোরবানি ওয়াজিব। এ হিসেবে কারো কাছে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্য পরিমাণ টাকা-পয়সা থাকলেও তার উপর কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়। এরকম জরুরি বিষয়গুলো আমাদের জানা প্রয়োজন যাতে কোরবানি
দাঁড়ানো, কিরাত পড়া, রুকু করা ও সিজদা করা—এই চারটি নামাজের রুকন বা স্তম্ভ। কোনো ব্যক্তি নামাজের কোনো রুকন বাদ দিলে তার নামাজ বাতিল হয়ে যায়। এই নামাজ আবার পড়া আবশ্যক। রুকন বাদ পড়ার কারণে নামাজে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয় তা সাহু সিজদা ইত্যাদি দ্বারা পূরণ হয় না। একইভাবে নামাজের কোনো
‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা ওয়ান্নি’মাতা লাকা ওয়ালমুল্ক্’। অর্থাৎ—‘আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার।’ এই ধ্বনিতে আজ পবিত্র মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। পবিত্র মক্কা হতে মিনার
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের বাদিন জেলার মাতলি শহরের অধিবাসী ইসলাম ধর্ম প্রচারক দ্বীন মোহাম্মদ শেখ। ১৯৮৯ সালে ইসলাম গ্রহণ করার পর তিনি ধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। তার হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন ১ লাখ ৮ হাজার মানুষ। দ্বীন মোহাম্মদ শেখ ১৯৪২ সালে এক হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ৪৭ বছর বয়সে
ইসলামি শরিয়তের অন্যতম ইবাদত কুরবানি। তাই কুরবানির আগে অনেক কিছু ভেবে দেখা এবং মেনে চলা জরুরি। কেননা কুরবানির পশুর রক্ত মাংস হাড় বা চামড়া কোনো কিছু মহান আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, বরং কুরবানি দাতার বিশুদ্ধ নিয়ত ও বৈধ ব্যবস্থাপনাই আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়। তাই কুরবানির পশু কেনা ও কুরবানি করার
আরবি বছরের শেষ মাসের নাম জিলহজ। যে মাসে মুসলিম উম্মাহ পবিত্র হজ পালন করে থাকেন। এ মাসের ফজিলত সম্পর্কে পবিত্র কোরআন ও হাদিসে সুস্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। আর তাহলো- > সূরা ফাজরে প্রথম দুই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘শপথ ভোরবেলার! শপথ ১০ রাতের!’তাফসিরে ইবনে কাসিরে ১০ রাতের শপথ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে যে,
ফেরেশতা মহান আল্লাহর রহস্যময় এক সৃষ্টি। আল্লাহ অপরিমেয় শক্তির আধার করে সৃষ্টি করেছেন ফেরেশতাকুলকে। একান্ত অনুগত এই বাহিনীর ওপর ন্যস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনের অসংখ্য জায়গায় ফেরেশতাদের মর্যাদাপূর্ণ বর্ণনা এসেছে। কোরআন ও হাদিসের বর্ণনা অনুসারে ফেরেশতারা নূরের তৈরি এক বিশেষ সৃষ্টি। তাঁরা সব ধরনের জৈবিক চাহিদা থেকে মুক্ত।
ইসরায়েলের এক ইয়াহুদি পরিবার শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করেছেন। ইয়াহুদি পরিবারে বেড়ে ওঠা ইলাত শহরে বসবাসকারী এক নারী হঠাৎ করেই তার পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ঘোষণা দেন। খবর ইসরায়েলি টিভি চ্যানেল থার্টিন। ফিলিস্তিনের জনপ্রিয় গণমাধ্যম আল-ওতানের খবরে জানা যায়, ‘ইসরায়েলের এই ইয়াহুদি পরিবার মুসলিম হওয়ার পর ইলাত
মা-বাবার জন্য সন্তান-সন্তুতি মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ উপহার। যদি তাদের কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষায় গড়ে তোলা যায়। ইসলামে সুমহান আদর্শে বড় হওয়া কন্যা সন্তানও বাবা-মাসহ তার লালন-পালনকারী ভাই কিংবা আত্মীয়-স্বজনের জন্য হয়ে উঠে অনেক উপকারী। হাদিসের ঘোষণায় কন্যা সন্তান তার লালন-পালনকারী জন্য ৩টি সর্বোত্তম পুরস্কার নিয়ে দুনিয়ায় আসে। কন্যা সন্তানের সুন্দর ও সঠিক
প্রতিটি মুসলমানের কাছে প্রিয়নবী (সা.)-এর স্মৃতিবিজড়িত মদিনা মুনাওয়ারা আবেগ-মথিত স্থান। সবুজ গম্বুজের দৃষ্টিনন্দন দ্যুতি সবার নজর কাড়ে। হৃদয়ে ভালোবাসার পারদ জাগিয়ে তোলে। নবীপ্রেমের ষোলকলা পূর্ণ করতে রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসার কাঙালরা সেখানে ছুটে যান। হজ-ওমরাহ উপলক্ষে পুণ্যার্থীরা যখন মদিনা মুনাওয়ারায় আগমন করেন, তখন তাদের হৃদয়-মানসে ভিন্ন রকম আমেজ কাজ করে। রাসুল
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকাল-সন্ধ্যায় অনেক দোয়া পড়তেন। রাত শেষে সকালে উঠেই তিনি আল্লাহর প্রশংসা করতেন। তাওহিদের ঘোষণা দিতেন। পরকালের স্মরণ করতেন। সন্ধ্যায়ও এর ব্যতিক্রম ছিল না। এটিই ছিল বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুনিয়ার মিশন সফলের অন্যতম মূলমন্ত্র। এ প্রশংসা বাক্য বা দোয়া থেকেই তিনি দ্বীনের কাজের অনুপ্রেরণা
ডেস্ক রিপোর্ট – দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া। দেশটির সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কুরআনের হাফেজদের জন্য ‘সফলতার পথ’ শীর্ষক কর্মসূচির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ছাড়াই ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিতে যাচ্ছে। খবর জাকার্তা পোস্ট। বিশ্বের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ ইন্দোনেশিয়ায় হাফেজে কুরআনদের বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের দৃষ্টিতে দেখা হয়। তাদের মতে, যারা