মিয়ানমারের চলমান পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর ভুমিকা ও বাংলাদেশের অবস্থান : গত ৫ সেপ্টেম্বর, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত ৪৩ তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে মিয়ানমার বিষয়ক পাঁচ দফা ঐকমত্য বাস্তবায়নের বিষয়ে আসিয়ান নেতারা পর্যালোচনা করে কিছু সুপারিশ প্রণয়ন করে। তাঁরা মিয়ানমারে ক্রমাগত সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানায় এবং এই সংকট জনগণের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগ,
মিয়ানমারে চলমান সহিংসতা বন্ধ হওয়ার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বরং দিন দিন তা আরও সংগঠিত ও জোরদার হচ্ছে। মিয়ানমারের জান্তা বিরোধী জাতীয় ঐক্যের সরকারের (এন ইউ জি) সভাপতি দুওয়া লাশি লা জানায় যে, জান্তার বিরুদ্ধে লড়াইরত আধাসামরিক বাহিনী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। পি ডি এফ
জাহাঙ্গীর আলম, এডভোকেট • আল্লাহর দরবারে অশেষ শুকরিয়া যে তিনি কক্সবাজারবাসীকে বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত দিয়েছেন,পাহাড় দিয়েছেন,সাগর দিয়েছেন,মৎস্য সম্পদ দিয়েছেন ও লবণ দিয়েছেন। বর্তমান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা লক্ষ কোটি টাকার মেঘা প্রকল্প কক্সবাজারে বাস্তবায়ন করার ও চলমান রাখার জন্য। প্রায় ১৪ লাখ আশ্রিত রোহিঙ্গা হল এখন কক্সবাজার জেলাবাসীর জন্য
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন চৌকস সদস্য মঞ্জু। বর্তমানে টেকনাফ থানায় কর্মরত। আজ সেই এসআই মঞ্জু সাহেবের বিবাহ বার্ষিকী। ৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকাল ৮টার দিকে টেকনাফ থানা সংলগ্ন বাজারে মুরগী ক্রয় করা অবস্থায় তার সাথে দেখা হয় কক্সবাজার জার্নালের নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন ভুলু’র সাথে। তিনি মঞ্জু সাহেবকে প্রশ্ন করলেন
হাসেম সিকদার জিসান • চিঠি যোগাযোগের মাধ্যম, চিঠি মনের অসংখ্য অনুভূতি-অভিব্যক্তির সারসংক্ষেপ। তবে ২০১৬-১৭ সালের যোগাযোগের অনন্য সকল প্রযুক্তির মাঝেও আমাদের কাছে চিঠি ছিলো যোগাযোগ, ভাব প্রকাশ, কিংবা খবর পৌঁছানোর কষ্টসাধ্য এক কৌশল। খুব শখের বশে চিঠি লিখা হতো বিষয়টি এমন না। বয়ঃসন্ধিকালের সেই সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমের নাগাল না পাওয়াতেই
মং সায়েদুল্লাহ • পশ্চিম মিয়ানমারের না য়েন্ত চেঞ্জ নামে একটি গ্রামে আমার জন্ম। সেখানে আমার শৈশব ছিল আনন্দময় ও শান্তিপূর্ণ। আমার চালু দোকান ছিল। ছোটবেলায় আমি কোনো সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দেখিনি। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমাদের বড় কোনো সমস্যা ছিল না। যদিও আমরা ছিলাম রোহিঙ্গা মুসলমান এবং তারা ছিল রাখাইন বৌদ্ধ। যেমন পার্শ্ববর্তী
হেলাল মহিউদ্দীন • দুনিয়াজুড়ে শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন চিত্র আশাপ্রদ নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আজ পর্যন্ত শরণার্থীদের সর্বোচ্চ ২৩ শতাংশ নিজ দেশে ফেরত গেছে। বর্তমান সময়ে এ হার প্রতিদিনই নামছে। ২০১৯ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী আগের বছর বিশ্বে মাত্র ২ শতাংশ শরণার্থীর প্রত্যাবাসন হয়েছে। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সেই বিচারে অনেক জটিল। আশা করার
এম. এরশাদুর রহমান : আমাদের কাছে এজাহার মিয়া কোম্পানী একজন দানবীর হিসেবে খুবই পরিচিত। টেকনাফের নাম উচ্চারণের সাথে সাথেই যে মানুষটির ছবি স্মৃতিপটে ভেসে উঠে তিনি হলেন এজাহার মিয়া কোম্পানী । প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রীহীন মানুষের মধ্যে তিনিই এত যে মেধাবী ছিলেন তা কল্পানা করা যেতনা।তার জানার পরিধি পরিমাপ করার মত বিদ্যা
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এডভোকেট॥ ঠিক ছয় বছর আগে ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নারকীয় নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে রাখাইন রাজ্য থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নারী,পুরুষ ও শিশুদের ঢল নেমেছিল বাংলাদেশে। এই দিনটি স্মরণ করে গণহত্যা দিবস পালন করেছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে সমাবেশ করে হাজার হাজার আশ্রিত রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের একটা চলমান গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা সংকট ছয় বছর পূর্ণ হয়ে সাত বছরে পড়েছে। গত এক বছরে এই সংকট সমাধানে বেশ কিছু উদ্যোগ ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এখনও আলোর মুখ দেখেনি। গত বছর ২৮ আগস্ট মিয়ানমার বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে আরাকান আর্মির (এ
মিয়ানমারে চলমান সংঘাত বন্ধ করে শান্তি ফেরাতে আঞ্চলিক জোট আসিয়ান তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। মিয়ানমারকে নিয়ে আসিয়ানে যে বিভক্তি দেখা দিয়েছিল তা দূর করে ঐক্যমত প্রতিষ্ঠা করতে আসিয়ান সক্রিয়ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আসিয়ান মিয়ানমার সংকট রাজনৈতিকভাবে সমাধানের পক্ষে তাদের মত ব্যক্ত করেছে। ১২ জুলাই আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে ইন্দোনেশিয়ার
গত দুদিন ধরে ফেসবুক, ইউটিউব সব অনলাইন মিডিয়ায় একটি বিষয়ে দু পক্ষের পাল্টাপাল্টি মতামত লক্ষ্য করতেছি। বিষয়টি প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেবের গায়েবানা জানাযা পড়া নিয়ে। উভয় পক্ষ’ই প্রমাণস্বরূপ তাদের ফতোয়া জারি করেছে। যে যার মতো আত্মপক্ষ সমর্থনে ফতোয়া শেয়ার করেছে। আজ এই বিষয়ে কিছু ব্যক্তিগত মতামত- আমরা
আরব বিশ্বের সবচেয়ে গরীব দেশ ইয়েমেন। বহু বছর ধরে চলমান গৃহযুদ্ধে দেশটি পুরোপুরি বিপর্যস্ত। জাতিসংঘের মতে ইয়েমেনের পরিস্থিতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানব-সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়। বর্তমানে ইয়েমেনের ৭৫ শতাংশ মানুষের জরুরী মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। অন্তত সোয়া কোটি মানুষের বেঁচে থাকার জন্য জরুরী খাদ্য সহায়তা দরকার। প্রায় পৌনে দুই কোটি মানুষ খাদ্য