আমিন খান : আমার জন্মস্থান খুলনা। ওখানেই আমার বেড়ে ওঠা। তবে আমার প্রিয় শহর বলতে কক্সবাজারকেই বুঝি। সেখানে আমার কখনও অবস্থান করা হয়নি। তবে ঘুরতে যেতাম। কক্সবাজারে গিয়ে সাগরের ঢেউ দেখা যে কি আনন্দের তা বলে প্রকাশ করতে পারব না। কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার অনেক স্মৃতি আছে, যেগুলো এখনও আমাকে রোমাঞ্চিত করে।
সুজন কান্তি পাল মৃদুল কান্তি পাল আমার পিতা। কিন্তু অন্য সবাই যেমন পিতাকে পিতা হিসেবে মূল্যায়ন করে অামি ওনাকে সেভাবে তেমন দেখিনা।অন্য দশ জনের মতো শিক্ষক হিসেবেই মূল্যায়ন করি বেশি। তিনি আমার দেখা একজন আদর্শ শিক্ষক। আমি ওনার ছাত্র। মরিচ্যা পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক যখন তিনি ছিলেন তখন তিনি
মিজানুর রহমান খান : দৈনিক প্রথম আলো অনলাইন: এক যুগের বেশি সময় পরে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে গিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার পাশাপাশি আশাবাদীও হয়েছি। উদ্বিগ্ন হওয়ার মূল কারণ, তিন লাখ কোটি টাকার বেশি উন্নয়নযজ্ঞ যে জনপদে, সেখানে রোহিঙ্গা সমস্যা ক্রমেই ডালপালা বিস্তার করছে। আর আশাবাদের প্রধান কারণ সরকারের নেওয়া ২৫ মেগা উন্নয়ন
দাতাদের শ্রান্তি, ধৈর্য্যচুত সরকার, হতাশাগ্রস্ত এক সম্প্রদায় এবং স্থানীয়দের সাথে ক্রমবর্ধমান চাপ- সব মিলিয়েই বাংলাদেশে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সঙ্কটটিকে সংজ্ঞায়িত করা যায়। এই জটিল চিত্রটি মিডিয়ায় খুব কমই আলোচিত হয়। সবকিছু মিলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। মিয়ানমারে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান থেকে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে খাদ্য
পর্যটন নগরী কক্সবাজার থেকে বহুল প্রচারিত পাঠক নন্দিত অনলাইন নিউজপোর্টাল ‘কক্সবাজার জার্নাল.কম’ এ নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগদান করলেন সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন ভূলু। রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে পত্রিকাটির প্রকাশক কমরুদ্দিন মুকুলের হাত থেকে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেছেন এই সাংবাদিক। যোগদানের পর গিয়াস উদ্দিন ভূলু তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন পোর্টালটির ধারাবাহিক মান উন্নয়নে সর্বাত্মক
শাহীন মাহমুদ রাসেল আজ পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। দেশে দেশে বর্ষবরণ শুরুর সঠিক ইতিহাস জানা না গেলেও বিভিন্ন জাতি যে হাজার বছর ধরে নতুন বছরের প্রথম দিনকে উৎসব-উদযাপনের মধ্য দিয়ে পালন করছে, তা সর্বজনবিদিত। যেমন চীনের চুন জি, ইংরেজি থার্টিফার্স্ট নাইট, ইরানের নওরোজ, আরবদের হিজরি নববর্ষ বরণের ইতিহাস-ঐতিহ্য
শাহীন মাহমুদ রাসেল রোহিঙ্গা সমস্যা নতুন কোনো সমস্যা নয়, তবে এ সমস্যা বহুমাত্রিক রূপ নিয়ে আবির্ভূত হচ্ছে বারবার। ১৯৪২ সালে জাপান-ব্রিটিশ যুদ্ধের সময় রোহিঙ্গারা ব্রিটিশের পক্ষে থাকায় জাপানি সৈন্যদের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে সর্বপ্রথম প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা কক্সবাজারে চলে আসে। ১৯৬৫ সালে জাতিগত দাঙ্গার কারণে এবং ১৯৭৭ সালে সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নে
পর্যটন নগরী কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত পাঠক নন্দিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল কক্সবাজার জার্নাল ডটকম’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, জেলার জনপ্রিয় দৈনিক আজকের কক্সবাজার পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাইফুল ইসলামের শুভ জন্মদিন আজ। শুভ জন্মদিন সাইফুল ইসলাম। কর্মক্ষেত্রে অন্য কোনো পেশায় ধাবিত না হয়ে মহৎ পেশা সাংবাদিকতায় কাজ শুরু করেন। প্রতিষ্টালগ্ন থেকে
আলমগীর মাহমুদ উখিয়া ষ্টেশনের দক্ষিণে পাতাবাড়ি মন্দির। শৈলের ডেবার যে রোডটি আরাকান রোড থেকে বাইপাস হয়ে যাওয়া, তার শুরুর সংযোগস্থলে স্বপনদের বাড়ি। সুবর্ণ মাষ্টার যিনি ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৬, ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত উখিয়া কলেজে নিজ অর্থে সমস্ত চক ডোনেশন দিতেন উনার বাড়ির সাথে প্রায় লাগোয়াই বাড়িটি। এখানে বাস করা মানুষগুলোর ফুল
এইচ. এম. ই রিমন দেশের উন্নয়নের স্বার্থে মহেশখালীর স্থানীয় জনগনের সহযোগিতার কারণে মাতারবাড়ি, ধলঘাটা এলাকায় নির্মিত হয়েছে এলএনজি টার্মিনাল, কাজ এগিয়ে চলছে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্পের। সারা দেশের বিদ্যুত ও জ্বালানী ঘাটতি মেটাতে এই অঞ্চলে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ, বিনিয়োগে আগ্রহী বিভিন্ন দেশ। অথচ সুন্দরবন সহ দেশের বিভিন্ন
পাকিস্তানে তেমন কোন আলোচনা ছাড়াই এবার ১৬ ডিসেম্বর দিনটি পার হয়ে গেলো। আনুষ্ঠানিকভাবে দিনটিকে স্মরণ করা হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র ভেঙ্গে স্বাধীন বাংলাদেশ জন্ম লাভের জন্য। এ দিনে ‘ঢাকার পতন’ পাকিস্তানের জন্য শুধু যন্ত্রণাদায়ক বিচ্ছেদ ও ভূখণ্ড হারানোর বিপর্যই শুধু নয়, এর রোমান্টিক স্মৃতিগুলোর মধ্যে গৌরবজনক মুসলিম অতীতের অংশটিও ফুটে উঠে।
সলিমুল্লাহ খান : মেঘে মেঘে অনেক বেলা হইল জগদ্বিখ্যাত সুন্দরবনের অদূরে বাগেরহাট জেলার অন্তর্গত রামপাল নামক একটি জায়গায় কয়লা পোড়াইয়া বিদ্যুৎ কারখানা বসাইবার আয়োজন চলিতেছে। এই বিদ্যুৎ কারখানা সুন্দরবনের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করিবে, তাহার অনুপম বিচিত্র প্রাণের অবসান ঘটাইবে এক কথায় ইহাতে সুন্দরবনের মৃত্যু হইবে। এই সত্যে সন্দেহ নাই বলিয়া দেশের
জাবেদ ইকবাল চৌধুরী প্রিয় টেকনাফবাসী… আসসালামু আলাইকুম। আমি কৃতজ্ঞ। আমি ঋণী। আপনারা স্বতস্ফূর্তভাবে আমাকে ভোট দিয়েছেন। ছিলো না কনো কৃত্রিমতা। সাধারন মানুষের মনে আমি। কিছু স্বার্থপর মানুষ নামের কিটের কাছে আমি আতংক। ওরা চায় না আমাকে। এর পরও আমি হাটবো। আমাকে থামানো যাবেনা। তাই সাধারন মানুষের অধিকার হরণে ব্যস্তছিল একটি