পুরো বিশ্বজুড়ে তো বটেই অস্থিরতা ইন্টারনেটের সকল খবরেও। করোনাভাইরাস সম্পর্কিত সকল বিষয়েই এখন বাড়ছে উত্তেজনা, দুশিন্তা। তবে নিজেকে ও পরিবারের মানুষদের সুরক্ষিত রাখতে চাইলে খুব সহজ কিছু নিয়ম মেনে চলাই যথেষ্ট। ভয় নয়, সঠিক নিয়মই পারবে করোনাভাইরাস মোকাবিলা করতে। হাত ধুতে হবে অবশ্যই প্রথমেই আসবে হাত পরিষ্কার রাখার কথা। হাত
উপমহাদেশে বেশির ভাগ মুসলমান হানাফি মাজহাব অনুসরণ করে থাকে। তাই হানাফি মাজহাব অনুসারে নামাজ পড়ার সংক্ষিপ্ত নিয়ম উল্লেখ করা হলো— প্রথমে অজুসহকারে দাঁড়িয়ে যান। নামাজের নিয়ত করে উভয় হাত কান পর্যন্ত উঠান। তাকবিরে তাহরিমা বলার পর বাঁ হাতের ওপর ডান হাত রেখে নাভির নিচে রাখুন। এরপর অনুচ্চৈঃস্বরে বলুন, উচ্চারণ :
সুনীল বড়ুয়া, বাংলা নিউজ ◑ সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও নতুন বালিয়াড়ি তৈরির লক্ষ্যে নয়নাভিরাম সাগরলতা বনায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। প্রাথমিকভাবে শহরের দরিয়ানগর থেকে দক্ষিণে এক কিলোমিটার পর্যন্ত সৈকতের বালুচরকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করে সাগরলতা বনায়ন করার চিন্তা-ভাবনা চলছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে দরিয়ানগরে প্রস্তাবিত সংরক্ষিত সৈকত পরিদর্শন শেষে কক্সবাজারের
যুগ যুগ ধরেই মানুষ আর ভাইরাস-ব্যাক্টেরিয়া পাশাপাশি বাস করে চলেছে। এখন যেমন করোনার মহামারী চলছে তেমন এক সময় ছিল ফ্লু, প্লেগ এমন মহামারী। মানুষ যতবারই নানারকম প্রতিষেধক আবিষ্কার করে, ওষুধ আবিষ্কার করে তাদের প্রতিহত করতে চেয়েছে, বারবারই তারা জেনেটিক মিউটেশন ঘটিয়ে নতুন রূপে ফিরে এসেছে। ভাইরাস-ব্যাক্টেরিয়া সঙ্গে মানুষের এই যুদ্ধ
আহমদ গিয়াস, কক্সবাজার ◑ কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ ১৮ মার্চ থেকে। সৈকত হয়ে পড়েছে জনমানব শূণ্য। কিন্তু এ সমুদ্র সৈকতের স্বতন্ত্র বাস্তুরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সাগরলতা এ নজিরবিহীন নির্জনতার সুযোগে নগ্ন সৈকতে ছড়িয়ে দিচ্ছে সবুজের জাল, আর এ জালে রাশি রাশি বালুরাশি আটকে সৃষ্টি হচ্ছে বালিয়াড়ি। সমুদ্র সৈকতে মাটির ক্ষয়রোধ এবং
অনলাইন ডেস্ক : বেলজিয়ামে এবার পোষ্য বিড়ালের শরীরেও মিলল করোনাভাইরাস! পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সত্যিই বিড়ালটি কোভিড-১৯ আক্রান্ত কি না, গবেষকেরা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেননি। বিড়ালের করোনা সংক্রমণের এই ঘটনাটি ঘটেছে লিয়েজ প্রদেশে। ডায়েরিয়া, শ্বাসকষ্ট-সহ করোনাভাইরাসের সব লক্ষণই দেখা যায় বিড়ালটির মধ্যে। পশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে, ডাক্তাররা পরীক্ষা করে
করোনাভাইরাস— যা জানে না সীমানা, যেখানে চর্চা নেই কোনো বিধি-নিষেধের। বিশ্বজুড়ে মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসের বিচরণ কোথায় নেই? প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের কবলে হার মেনেছে অগাধ ক্ষমতা আর সম্ভ্রম। সম্প্রতি ইরানের পার্লেমেন্টের প্রায় ৮ শতাংশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ ভাইরাসের কবলে বিশ্বে মারা গেছেন রাজনৈতিক-ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে
ইমাম খাইর ◑ কক্সবাজার সাগরপাড়ে ১০/১২ দিন ধরে পড়ে থাকা ইমন নামের শিশুটিকে খোঁজে নিজ বাংলোয় নিয়ে গেলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। শুধু নিয়ে যান নি, নিজেই বসে থেকে পছন্দের খাওয়ার খাওয়ালেন, পরালেন নতুন জামা কাপড়। যা একজন প্রশাসক হিসেবে নয়, প্রকৃত অভিভাবকের পরিচয় দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো.
অনলাইন ডেস্ক ◑ স্পেন ও ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পর ঘরেই পচে যাচ্ছে লাশগুলো। আতঙ্কে সৎকারের জন্যও এগিয়ে আসছে না কেউ। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে উন্নত দেশগুলো। অনুন্নত দেশের মতো অসহায় হয়ে পড়েছে চিকিৎসা, প্রযুক্তি আর সম্পদে উন্নত দেশগুলোও। জানা গেছে, ইতালি ও স্পেনে প্রতিদিনই কয়েকশ মানুষ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নভেল করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার কম দেখে স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা করে আসা তরুণদের সতর্ক করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। “কারও জীবন ও মৃত্যুর ব্যবধান ঘুচিয়ে দেওয়ার কারণ হতে পারেন আপনি, এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের,” বলেছেন ডাব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গ্যাব্রিয়েসাস। নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন দেশে তরুণদের সতর্কতামূলক নানা
শফিক আজাদ, উখিয়া ◑ দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস নিয়ে সতর্কতামূলক কর্মসূচী গ্রহণ করার পর থেকে অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে পর্যটন এলাকা উখিয়ার ইনানী সী-বীচ । গুটি কয়েক স্থানীয় লোকজন ছাড়া বাইরের কোন ব্যক্তি তেমন চোখে পড়ছে না। অথচ গত ২ দিন আগেও ইনানীসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে সাগর পাড়সহ পর্যটন কেন্দ্রগুলো লোকে-লোকারণ্য
অনলাইন ডেস্ক ◑ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে লোকজনের মধ্যে বিভিন্ন বস্তু ধরার বিষয়ে তাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতির সঞ্চার হচ্ছে। সারা বিশ্বেই এখন দেখা যাচ্ছে যে লোকজন তাদের কনুই দিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করছেন, সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা বা নামার সময় রেলিং ধরছেন না এবং বাসে ট্রেনে চলার সময় হ্যান্ডল না
সাইফুল ইসলাম,কক্সবাজার জার্নাল ◑ জনশূন্য পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলো। করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান স্থানীয় সচেতন মহল। একদিন আগেও কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলো লোকে-লোকারণ্য ছিলো। পর্যটকে ভরপুর ছিলো আবাসিক হোটেলগুলোতেও। কিন্তু এখন জনশূণ্যে পরিনত হয়েছে। হঠাৎ একটি ঘোষণাই বদলে