উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে তদবীর-ভয়ভীতির উর্ধ্বে উঠে পুলিশকে ইয়াবা দমনের নির্দেশ-মন্ত্রিপরিষদ সচিব

বিশেষ প্রতিবেদক :

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তকে ইয়াবা মুক্ত করার জন্য মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ভয়ভীতি এবং প্রভাবশালী রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধিদের যে কোন ধরনের তদবির-ভয়ভীতির উর্ধে উঠে দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করার জন্য নির্দ্দেশ প্রদান করেছেন।

তিনি বলেছেন, মাদক একটি জাতিকে পঙ্গু করে দিতে পারে। তাই মাদক নির্মুলে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে দেশ ও জাতির স্বার্থে।

তিনি গতকাল শুক্রবার সকালে কক্সবাজারের হিলটপ সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে উখিয়া-টেকনাফের পুলিশ কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদেরে নিয়ে মাদক বিরোধী সভায় এসব কথা বলেন।

Loading...

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল মান্নান ও স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী এবং কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মুলের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতির কথা ঘোষনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা যে কোন ভাবেই বাস্তবায়ন করতে হবে।

সভায় উখিয়া-টেকনাফ সার্কেলের অতিরিক্ত সচিব নাহিদ আদনান তাইয়ান, টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের স্ব স্ব এলাকার ইয়াবা দমন পরিস্থিতির বিবরণ তুলে ধরেন।

সভায় টেকনাফ থানার ওসি এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন-‘আমার এলাকায় ইয়াবা দমন করতে গিয়ে আমি কোন রকমের সামাজিক প্রতিবন্ধকতার সন্মুখিন হইনা। এলাকার কোন জনপ্রতিনিধি বা কোন রাজনীতিক আমার কাছে এ ধরণের কোন অবৈধ তদবিরও করারও সাহস পান না।’

কিন্তু উখিয়ায় এ ধরণের ব্যতিক্রমী ঘটনার কথা শুনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব তৎক্ষনাৎ এসবের উর্ধে থেকে রাষ্ট্রের স্বার্থে পুলিশ কর্মকর্তাদের ইয়াবা নির্মূল অভিযান চালাতে নির্দ্দেশ দেন। তিনি স্থানীয় এলাকার জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিক ও সুশিল সমাজের ব্যক্তিদের এ ব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়ারও পরামর্শ দেন।