সাত শর্তে কাজ করতে পারবে এনজিও

অনলাইন ডেস্ক ◑  গ্রাহকের চাহিদা বিবেচনায় সীমিত পরিসরে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। গত শনিবার এমআরএ এক সার্কুলারে সাত শর্তে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে জরুরি ত্রাণ বিতরণ, গ্রাহকের সঞ্চয় ফেরত, রেমিট্যান্স সেবা প্রদান ও এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া বোরো ফসল কাটা, অকৃষি উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসায়ীদের ঋণের চাহিদা রয়েছে। অন্যদিকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নও জরুরি। এ জন্য কিছু শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস রোগের প্রসার রোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা প্রতিটি ক্ষেত্রে কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম ছাড়া দর্শনার্থী বা সাক্ষাৎ প্রার্থীদের অফিসে আসা নিরুৎসাহিত করা এবং নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অফিসে উপস্থিত সবার মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। সমিতির সভা বা উঠান বৈঠক হবে না। ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেনদেন বাড়াতে হবে। নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে অফিসে থাকা যাবে না। অফিস ও অফিসে উপস্থিত সবাইকে জীবাণুমুক্ত রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে। মহানগর, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের লকডাউন ঘোষণা করা এলাকার সংশ্নিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অফিসের কার্যক্রম বন্ধ। তবে ব্যাংক সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শেয়ারবাজার বন্ধ। সম্প্রতি সরকার ১৮টি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু করেছে। চালু হয়েছে বেসরকারি খাতের কিছু প্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানা। দোকানপাটও গতকাল থেকে কিছু কিছু খুলেছে।