ত্রাণ বিতরণে কোন অনিয়ম, অভিযোগ সহ্য করা হবেনা : ডিসি কামাল হোসেন

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী ◑

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ১০ দিনের সরকারি বন্ধের সময় অসহায়, নিম্ম আয়ের মানুষ, অতি দরিদ্র, ছিন্নমূল, প্রকৃত অভাবী ও ভবঘুরে লোকজনের কথা চিন্তা করে সরকার তাদের জন্য ত্রান সহায়তা হিসাবে চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে।

এ ত্রান সামগ্রী ইতিমধ্যে কক্সবাজার জেলার ৮ টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে পাঠানো হয়েছে। নগদ অর্থ সোমবার ৩০ মার্চের মধ্যে উপজেলা ভিত্তিক বন্ঠন করা হবে। এ ত্রান ও নগদ অর্থ বিতরণে সুষ্ঠু ও সুন্দর নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। যাতে এই ত্রানের প্রকৃত হকদারেরা সরকারের প্রদত্ত এই ত্রাণ সহায়তা সরবরাহ পায়।

তারপরও এ কঠিন সময়ে কেউ ত্রান সামগ্রী বিতরণে অনিয়ম, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে, প্রকৃত ত্রান গ্রহনকারী সিলেকশন না করলে, কেউ ত্রান আত্মসাতের অপচেষ্টা করলে, ত্রান নিয়ে ছিনিমিনি খেলত চাইলে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তা কোন অবস্থাতেই সহ্য করা হবেনা। তাদেরকে কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের ত্রান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে দাবি উঠার প্রেক্ষিতে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না। তবে ত্রান বন্টনের জন্য যেভাবে সুষ্ঠু নীতিমালা ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তাতে অনিয়ম বা আত্মসাতের কোন সুযোগ নেই। তৃনমুল পর্যায়ে এসব ত্রান বিতরণ করা হলেও সেখানে জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকবে।

জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন দৃঢ়তার সাথে আরো বলেন, অতীতে কি হয়েছে, সেটা বড় কথা নয়। এখন কিভাবে করা হবে, সেটাই বড় কথা।

সর্বস্থরের জনসাধারণকে জেলা প্রশাসনের উপর আস্থা রাখার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, এ মহাসংকটকালে এটা একটা সরকারের মানবিক উদ্যোগ। এ উদ্যোগ শতভাগ সফল করতে তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।