বর্ষার শুরুতেই উখিয়ার সর্বত্র জলাবদ্ধতায় জনদূর্ভোগ

রফিকুল ইসলাম,উখিয়া ◑

বর্ষার শুরুতেই ভারী বর্ষণ চলছে টানা দুইদিন ধরে। উখিয়া উপজেলার সর্বত্র প্রবল বর্ষণে জনপদের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। গ্রামীণ  সড়ক ও কালভার্টের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কাঁচা ঘর বাড়ীরও ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার প্রায় সর্বত্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক গুলো দিয়ে জন চলাচলে বিঘ্নতা দেখা দিয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে মূষলধারে প্রবল বর্ষণ শুরু হলে জলাবদ্ধতায় গ্রামের রাস্তা ঘাট তলিয়ে যায়। পাহাড় থেকে বৃষ্টির পানির ঢল নামায় খালগুলো পানিত টুইটুম্বর হয়ে পড়ছে। বিভিন্ন খাল সংলগ্ন পাড়া,গ্রাম ও জনবসতিতে জলাবদ্ধতা অসংখ্য মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রবল বর্ষণে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছেপটখালী গ্রামে একটি কাঁচা ঘর ভেঙ্গে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শত শত পানের বরজ ভেঙ্গে গেছে বলে জানা গেছে।

উখিয়া সদরের মালভিটা পাড়া, গিলাতলী, সিকদার বিল, টাইপালং,সরকারী খাদ্য গুদাম এলাকা, আবাসিক কোয়ার্টার এলাকা,দারোগা বাজার, অস্হায়ী কোভিড-১৯ বাজার এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে লোকজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এমনিতে কয়েক মাস ধরে মানুষ জন করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরবন্দী হয়ে রয়েছে। তার উপর স্হানীয় ভাবে অপরিকল্পিত উন্নয়নের নামে রাস্তা, কালভার্ট-বাড়িঘর, আবাসিক ও বানিজ্যিক স্হাপনা নির্মাণের কারণে জন দুর্ভোগ বাড়ছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিমত।

উখিয়া উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম  জানান,অতি বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন স্হানে এলজিইডির অনেক রাস্তা ক্ষতির মূখে পড়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসও একই কথা জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বৃষ্টি কমলেই দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়ক গুলোর প্রাথমিক সংস্কার করে জন চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। বর্ষার শুরুতেই জন দুর্ভোগ ও দৈন্যদশা থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় লোকজন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দাবী জানিয়েছেন।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বর্ষার শুরুতে আকস্মিক অতি প্রবল বর্ষণে বেশ কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতায় গ্রামীণ জনপথ, মানুষের ঘর বাড়ী ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের এব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্হা নিতে বলা হয়েছে, যাতে মানুষের কষ্ট না হয়।